জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যুর পর তার জানাযা ও দাফন সম্পন্নের কাজে সাবির্ক সহযোগিতা করার জন্য গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহহিল আমান আযমী সরকার ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

রোববার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই ধন্যবাদ জানান।         

বিবৃতিতে আমান আযমী বলেন, ১০১৬ দিন কারাভোগের পর  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন অধ্যাপক গোলাম আযম। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়না তদন্ত না করার জন্য অনুরোধ করা হলেও কারা কর্তৃপক্ষ ওনার লাশের ময়না তদন্ত করে, যা পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার সকাল ৭ টায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শনিবার বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গনে লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে মরহুমের নামাযে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। অনেকের মতে, এই জানাযা এই ভূখন্ডের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জানাযা ছিল।জানাযা শেষে বিকেল সাড়ে তিনটায় মরহুমের লাশ মগবাজারের পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তিনি বলেন, লাশ নিয়ে বায়তুল মোকাররমে যাওয়া-আসা, জানাযা পড়ানোর আনুষ্ঠানিকতা এবং পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন সম্পন্ন করণে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা আমাদের সর্বাত্মক সহায়তা করেছে। সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। এ জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আমি সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

তবে, একজন নিরপরাধ মানুষকে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে অভিযুক্ত করে কারাভোগে বাধ্য করার  বিষয়টির চূড়ান্ত ফায়সালা ওনার ইন্তেকালের পর দুনিয়াতে এখন আর সম্ভব নয়। আখেরাতের আদালতে এর উপযুক্ত ফায়সালা হবে এবং উনি যে প্রকৃত নিরপরাধ ছিলেন তা সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

আর ওনাকে অন্যায়ভাবে কারাভোগের শাস্তি দিয়ে বৃদ্ধ বয়সে (৯২ বৎসর) পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন রেখে যে শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দেয়া হয়েছে, তার জন্য দায়ী সকল ব্যক্তি আল্লাহর দরবারে এর পরিণাম ভোগ করতে বাধ্য হবে।

এএইচ