বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে টাউট-বাটপার, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু ও লুটেরাদের ছবি দেখে ব্যথিত হন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬তম জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতিতে এখন আদর্শ নেই। বিভিন্ন রাস্তায় বঙ্গবন্ধুর ছবির পাশে চাঁদাবাজ, টাউট-বাটপার, ভূমিদস্যু ও লুটেরাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড দেখে আমি ব্যথিত হই। এসব চাঁদাবাজ-টাউট-বাটপারদের ছবি আর বঙ্গবন্ধুর পাশে দেখতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে এক ধরণের মানুষেরা এ অপকর্ম করে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে কোন আপোশ নেই, এদের নিবৃত করতে হবে।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য মন্ত্রী বলেন, যেখানেই বঙ্গবন্ধুর পাশে চাঁদাবাজ, টাউট-বাটপার, ভূমিদস্যু ও লুটেরাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড দেখবেন, সেগুলো ছিড়ে ফেলবেন। তাতেই বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে। আর একাজ (নিবৃত) যারা করবেন, তারাই হবেন বঙ্গবন্ধুর সত্যিকারের আদর্শের অনুসারী।
তিনি বলেন, ভাষণ-বক্তৃতা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে প্রতিষ্ঠিত করার দরকার নেই, তিনি প্রতিষ্ঠিত হয়েই আছেন। এই মাটি যতদিন থাকবে, বঙ্গবন্ধুকে উৎখাত করা যাবে না। বক্তৃতার চেয়ে বঙ্গবন্ধুকে আমরা কতটা অনুসরণ করি, এটাই মূল বিষয়। এখানকার ক’জনে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী পড়েছি? বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী অনুসরণই রাজনীতির জন্য যথেষ্ট। তাহলেই রাজনীতি আদর্শের দিকে যাবে, মূল্যবোধের দিকে যাবে। আজকের রাজনীতিতে আদর্শ নেই।
বিএনপির সঙ্গে সংলাপের সম্ভাবনা নাকচ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আইএসের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এলায়েন্স গঠন করে দমন করছে ওয়াশিংটন। বাংলাদেশে আইএস স্টাইলে কর্মকাণ্ড করছে বিএনপি। তাদের সঙ্গে সংলাপ করে লাভ কি? সংলাপ করতে হলে সম্পূর্ণভাবে এই সন্ত্রাস-সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। তারপর দেখা যাবে সংলাপ হবে কিনা?
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দিলারা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
এমআর// কেএইচ/ এআর





