জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, “বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তো চিকিৎসা পাচ্ছেন, সঙ্গে কাজের মেয়ে পেয়েছেন। অথচ আমি ৬ বছর কারাগারে থাকা অবস্থায় চিকিৎসা তো দূরের কথা, ডাক্তারের চেহারাও দেখি নাই। খালেদা জিয়া তো চেয়েছিলেন আমি কারাগারেই মারা যাই। কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।”

আজ (শুক্রবার) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর হয়ে রংপুর সার্কিট হাউজে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এরশাদ এইসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচ এম এরশাদ বলেন, “খালেদা জিয়ার স্বামী জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান ছিলেন। তাঁর স্ত্রী হিসেবে তিনিও সিএমএইচে চিকিৎসা নিতে পারেন। আমি নিজেই সেখানে চিকিৎসা নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ৬ বছর কারাগারে থাকা অবস্থায় চিকিৎসা পাইনি। আর উনি গোঁ ধরে বসে আছেন তাঁর ইচ্ছে অনুযায়ী চিকিৎসা নেবেন। এটা হতে পারে না।”

মাদক নির্মূলে ক্রসফায়ারকে সমর্থন করে এরশাদ বলেন, “মাদক দমন করতে গিয়ে কিছু লোক যদি মারা যায় তা গ্রহণ করা উচিত। যদিও আমি বিনা বিচারে মৃত্যু সমর্থন করি না। তারপরেও যারা মাদক ব্যবসা করে যুবসমাজকে ধ্বংস করছে তাদের মৃত্যুতে আমাদের কোনও শোক নেই।”

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, “ছোট ছোট চুনোপুঁটি মাদক ব্যবসায়ী ধরা পড়লেও গডফাদাররা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। এখন তাদের রাজপ্রাসাদ খালি, রাজা নেই। যতদিন পর্যন্ত মাদক নির্মূল করা যাবে না ততদিন অভিযান অব্যাহত রাখা উচিত।”

আসন্ন গাজীপুর, সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।  

সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরাই জয়ী হবে বলে মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, “তাদের অবস্থা ভালো। তাই নানাবিধ কারণে তারাই জয়ী হবে। নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে বলে সিইসি (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) আবারও আশ্বস্ত করায় আমরা দেখতে চাই নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।”

এমবি