ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিমদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘মহানবী (সা.) মানবজাতির জন্য এক উজ্জ্বল অনুসরণীয় আদর্শ। মহান আল্লাহ বিশ্ব জগতের রহমতস্বরূপ হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এই জগতে প্রেরণ করেন। বিশ্বনবীর আবির্ভাবে পৃথিবীতে মানুষ ইহলৌকিক ও পরলৌকিক জগতের মুক্তির সন্ধান পায় এবং নিজেদের কল্যাণ ও শান্তির নিশ্চয়তা লাভ করে।’

তিনি বলেন, ‘সমাজে বিদ্যমান শত অনাচার ও কদর্যতার গ্লানি উপেক্ষা করে মহানবী মুহাম্মদ (সা.) মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন। নিজ যোগ্যতা, সততা, মহানুভবতা, সহনশীলতা, কঠোর পরিশ্রম, আত্মপ্রত্যয়, অসীম সাহস, ধৈর্য, সৃৃষ্টিকর্তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস, নিষ্ঠা ও অপরিসীম দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করে তার ওপর অবতীর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের বাণী তথা তওহিদ প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করেন।’

মহানবী (সা.) আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার যুগ দূর করে অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতন বরণ করে সত্য ও ন্যায়কে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘সমাজে অবহেলিত, নির্যাতিত, বঞ্চিত ও দুঃখী মানুষের সেবা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, পরমত সহিষ্ণুতা, দয়া ও ক্ষমাগুণ, শিশুদের প্রতি দায়িত্ব এবং নারী জাতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অতুলনীয় এবং তাই তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে অভিষিক্ত।’

বিএনপি নেত্রী মহানবী (সা.)-এর জন্য অসংখ্য দরুদ ও তার প্রতি সালাম জানান। একই সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা, আদর্শ ও ত্যাগের মহিমায় সবাই যেন নিজেদের জীবনে প্রতিফলন ঘটাতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের নিকট প্রার্থনা করেন।

ফখরুলের শুভেচ্ছা

এদিকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এমএইচ