বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, “সরকারের আয়ু বেশি নেই, গণজাগরণ হবে। রমজানের পরে লাগাতার আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো হবে। তাতে বিদেশীদের কোনো সাহায্য লাগবে না।”

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী কল্যাণ পরিষদ আয়োজিত ‘বর্তমান সরকারের গণবিরোধী আচরণ প্রতিরোধে বিরোধী দলের করনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা নুরুদ্দিন সোহেলের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামিম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজমা ইসলাম প্রমূখ।

হান্নান শাহ বলেন, “আওয়ামী লীগ যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা রক্ষা করে না। নির্বাচনের আগে বলেছিলো ৫ জানুয়ারির সংবিধান রক্ষার নির্বাচন। তাদের নীতি বিসর্জন দিয়ে এখন বলছেন পাঁচ বছরের জন্য তারা নির্বাচিত হয়েছেন। ”

তিনি বলেন, “বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা রক্ষা করে। ৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার পরও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরবর্তীতে আরেকটি নির্বাচন দিয়েছিলো বিএনপি।”

বিএনপির এই নেতা বলেন, “সীমান্ত হত্যা, সীমান্ত থেকে মানুষ ধরে নিয়ে যাওয়া বিষয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের কাছে বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোনো অভিযোগ করতে পারে না। বিএনপি অভিযোগ করলে তা আওয়ামী লীগের সহ্য হয় না। তারা উল্টো বলে থাকে বিএনপি বিদেশিদের কাছে নালিশ করে। বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই বিদেশিদের কাছে নালিশ করেছে বিভিন্ন সময়ে।”

হান্নান শাহ বলেন, “দেশে আইনের শাসন নেই, কোর্ট-কাচারীকে দলীয়করণ হয়েছে। জনগণ আজ সঠিক বিচার পায় না। কোনো বিচারক নির্যাতিতদের অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার করতে চাইলে প্রধান বিচারপতি তাকে বেঞ্চ পরিবর্তন করে দেন।”

তিনি বলেন, “দেশে আইনের শাসন না থাকলে গণতন্ত্র হুমকীর মুখে পরবে। গণতন্ত্র না থাকলে কেউ নিরাপদে থাকবে না। হাসিনা সরকার গুম-খুনের রাজনীতি করে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অহরহ গুম-খুন হচ্ছে। তাই এ সরকারের আমলে কেউ নিরাপদ নয়।”

ঢাকা, এমএইচ, ২৮ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)এসএইচ