বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে সর্বোচ্চ শিক্ষিত ছাত্র-ছাত্রীরা ছাত্রশিবিরকে বিজয়ী করেছে। এটি প্রমাণ করে যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ব্যালট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকেই ক্ষমতায় আনবে এ দেশের মানুষ ইনশাআল্লাহ।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ‘শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতির বাস্তবায়ন অনিবার্য’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত শ্রমিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দেলাওয়ার হোসেন বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের বন্ধু হয় না শ্রমিকরা—যারা ঘুষখোর, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, তারাই রাজনৈতিক নেতাদের বন্ধু হয়। কিন্তু প্রকৃত শ্রমজীবী মানুষ—যাদের ঘামে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরে—তাদের পাশে দাঁড়াতে চায় জামায়াতে ইসলামী। ক্ষমতায় গেলে একটি কল্যাণমূলক, মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলবে জামায়াত, যেখানে সুশাসন ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে এবং শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নবী-রাসুলদের আদর্শ অনুসরণ করে ইনসাফপূর্ণ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে। শ্রমিক ভাইয়েরা যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ান, ঘরে ঘরে দাওয়াত পৌঁছে দেন এবং আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেন, তাহলে শ্রমিকদের সব অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ঠাকুরগাঁও বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি কৃত বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয় এবং অঞ্চলের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়। এসময় তিনি উপস্থিত শ্রমিকদের পাড়া-মহল্লায় গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক হারুনর রশিদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলার সাবেক আমির ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম, বর্তমান জেলা আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান, রংপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক আবুল হাসেন বাদল, জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর, ও জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা।

এমএম