মিয়ানমারে চলমান অস্থিতিশীলতার মধ্যে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, “এত মানুষ আসছে, নির্যাতিত মানুষের সঙ্গে মাদকের স্রোতও আসছে কিনা; এর সাথে অস্ত্রের কোনো বিষয় যুক্ত হচ্ছে কিনা- এসব আমাদের জন্য বড় উদ্বেগের। জাতিসংঘকে আমরা আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে ঈদ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কাদের বলেন, “এ ইস্যুতে সরকারের অবস্থান লাউডার ও ক্লিয়ার। আমরা সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করছি। কিন্তু যেভাবে রোহিঙ্গাদের স্রোত ছুটে আসছে, এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

সরকারের অবস্থানের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “সরকারকে সব কিছু মাথায় নিয়ে একদিকে আমরা পুশইনের প্রতিবাদ করছি। মিয়ানমারের নাগরিকদের যেন জাতিসংঘ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করে সে ব্যাপারে আমাদের দাবি অত্যন্ত জোরালো।”

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, “এই যে এতগুলো মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে, তাদের নারী-পুরুষ-শিশুরা অবর্ণনীয় দুর্দশায় রয়েছে। তাদের আসার পথটাই রক্তস্রোত, অনেকে আবার নাফ নদীতে ডুবেও মরছে। আমরা অমানবিক হলে দেড় লাখ রোহিঙ্গা আসতো না। পুশইনের প্রতিবাদের পাশাপাশি মানবিক আচরণটাও দেখাতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।”

রোহিঙ্গাদের প্রতি অত্যাচার-নিপীড়ন বন্ধ করতে চারবার মিয়ানমারের প্রতিনিধিকে ডেকে সরকার জোরালো বক্তব্য উত্থাপন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত, বন্যার জন্য অর্ধেক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত; এরপর এতবড় বোঝা বহনের সামর্থ্য আমাদের নেই। এজন্য আমরা বারবার জাতিসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”

এমবি