এ ছাড়াও ঘুর্ণিঝড়ে আক্রান্ত প্রতিটি এলাকায় স্থানীয় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনাকালে ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিপদ-মুসিবত জীবনেরই অংশ। এ সময় হতাশ হওয়া যাবে না। কেননা, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের বিপদ-মুসিবত দিয়ে পরীক্ষা করেন। এ পরীক্ষায় ধৈর্যের মাধ্যমে উত্তীর্ণ হতে হবে। মহান আল্লাহ তায়ালাই বান্দার জন্য রিজিকের ব্যবস্থা করেন। সুতরাং আল্লাহ তায়ালার রহমত থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না। ছাত্রশিবির একটি ছাত্রসংগঠন। ছাত্রশিবির দেশের যে কোনো দুর্যোগ সংকটে সামর্থ্য অনুযায়ী দেশবাসীর পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সে অনুযায়ী পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছে। ঘুর্ণিঝড়ে যেখানেই জান-মাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানেই সাধ্যমতো ত্রাণ ও সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ঘুর্ণিঝড়ের ভয়াবহ পরিস্থিতি গণমাধ্যমের কল্যাণে সারা দেশবাসী দেখেছে। ১০ জন নারী, ৪ শিশুসহ ৩৮ জন নিহত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি, চিংড়ির ঘের, পুকুর ও কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাঠে থাকা আমন ধান ও শীতকালীন আগাম সবজি নিয়ে শঙ্কায় আছেন চাষিরা। সরকারি হিসেবেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের ৪১৯টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ইউনিয়নে আনুমানিক ১০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ৬ হাজার হেক্টর ফসলের জমি নষ্ট হয়েছে এবং ১ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে; যদিও প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। বহু জায়গায় বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। এ অবস্থায় বসে না থেকে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো খুবই জরুরি। মানুষের পাশে মানুষ থাকবে -এটাই কুরআন-হাদিসের শিক্ষা। আমরা বিত্তশালীদের প্রতি ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এন