পৌর নির্বাচনে দেশব্যাপী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা জনমনে ভীতি সৃষ্টি করতে যে তান্ডব চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কোনো অ্যাকশন না নিয়ে সরকার উল্টো বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করছে। সরকার ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় পৌর নির্বাচন দখল করে নেওয়ার পায়তারা করছে।
রোববার সকাল ১১টার দিকে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, এ সরকার গণতন্ত্রের ভাগ্য নিয়ে তাস খেলছেন। নাটোর, চৌমোহনী, ঝিনাইদাহ, বোয়ালমারী, নোয়াখালীসহ সারা দেশে বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলা-নির্যাতন ও ভয় ভীতি করা হচ্ছে। এ নিপীড়ন-নির্যাতন আর প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে নির্বাচনে গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া ব্যাহত করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের নামে সারাদেশে যে নির্বাচনের লীলাখেলায় সরকার মেতে উঠেছে তার তাণ্ডব এরইমধ্যে দেশবাসী দেখেছে। যারাই বিএনপির পক্ষে কথা বলছে, প্রচারণা করছে তাদেরই হামলা-নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
বিএনপি নেতা এম কে আনোয়র, খন্দকার মোশারফ হোসেন, শওকত মাহমুদ, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ আটক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সব হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও দ্রুত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল ফারুকে মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, ফারুক শুধু সাংবাদিকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত বন্ধু। যেখানে রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকতো সেখানেই তাকে পাওয়া যেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী আসাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, সহ দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা।
এমএইচ





