বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারী মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন ধর্মের উপর ভিত্তি করেই এ উপমহাদেশ বিভক্ত হয়েছিল।

কিন্তু তৎকালীন শাসক গোষ্ঠী সে সব ভুলে গিয়ে একটি ধর্মহীন শিক্ষা ব্যবস্থা জনগনের উপর চাপিয়ে দেবার চেষ্টা করে।

সে শিক্ষা নীতির উপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বিতর্কে ধর্মীয় বিষয় অর্ন্তভুক্ত করার ব্যাপারে যুক্তি ভিত্তিক কথা বলার কারণে বিরোধীতাকারী শক্তি ঢাবি’র মেধাবী ছাত্র আব্দুল মালেক এর উপর নৃশংস হামলা চালায়।

এরই ধারাবাহিকতায় যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরোহন করেছেন তারা কেউই আজ সে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বাইরে আসতে পারেনি।

বরং সবাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধর্মহীন নীতি বিবর্জিত জাতি উপহার দিচ্ছে যারা দেশে দুর্নীতির মহোৎসবের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশ কে দুর্নীতিতে পরিচিত করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দেশে জনগনের সেবক হিসেবে যারা কাজ করছে তাদেরকে উৎকোচ না দিলে এক টেবিলের ফাইল কোনভাবেই অন্য টেবিলে যেতে পারেনা।

এমন শিক্ষিত অসৎ কর্মকর্তা, কর্মচারী দেশকে ভয়াবহ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ক্ষমতাসীন সরকার নিজেদের আখের গোছাতে যেয়ে প্রশাসনের দুর্নীতিকে জ্যামিতিক হারে প্রশ্রয় দিচ্ছে।

একমাত্র পরকালীন জবাবদিহিতার ভয় ছাড়া আমাদের প্রিয় এ মাতৃভূমিকে দুর্নীতিমুক্ত সৎ প্রশাসক উপহার দেয়া কোন ভাবেই সম্ভব নয়। এজন্য দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই।  

ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তরের ইসলামী শিক্ষা দিবস’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব কথা বলেন।

নগর উত্তর শিবির নেতা প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন নগর উত্তর সেক্রেটারী সালাউদ্দিন মাহমুদ শিবির নেতা এম.হোসাইন জাবেদ,নাছির উদ্দিন,রোকন উদ্দিন প্রমুখ।

সভায় শিবির নেতৃবৃন্দ দেশে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্থবায়ন না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসএইচ