দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ফের মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। সোমবার তিনি থাইল্যান্ড যাওয়ার উদ্দেশে দেশত্যাগ করেছেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ নিয়ে পর পর ৩টি মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলেন মায়া। নারায়ণগঞ্জে আলোচিত ৭ খুনের ঘটনার সঙ্গে মায়ার পরিবারের সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর থেকে তিনি মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুপস্থিত থাকছেন।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার বর্তমান সরকারের ১৬তম মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় মায়ার অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভূইঞা বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার জন্য মায়া সাহেব বৈঠকে আসতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন।’
অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভা বৈঠকে কতদিন অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রিত্ব থাকবে না, এ বিষয়ে আইনে কিছু বলা নেই।’
মায়ার বিদেশ সফর সম্পর্কে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা ওমর ফারুক দেওয়ান জানান, ‘মন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপর একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার দুপুর ১২টায় থাইল্যান্ড গেছেন। তিনি ২২ মে দেশে ফিরবেন।’
২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। পরে শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে র্যা ব-১১ এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) লে. কর্নেল সাঈদ তারেকসহ ৩ কর্মকর্তাকে র্যা ব থেকে সরিয়ে নিজ বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়। লে. কর্নেল সাঈদ তারেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা।
আদালত চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়। পরে তিনজনকেই গ্রেফতার করা হয়। এখন রিমান্ডে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
[b]ঢাকা, ১৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই
[/b]