বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতিকে ঘৃণা করে।

কাজেই কোন হত্যা ও সন্ত্রাসের ঘটনার সাথে জামায়াতে ইসলামীর কোন সম্পর্ক থাকার প্রশ্নই ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান।

আজ ২৮ অক্টোবর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এ কথা জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, বিদেশীদের উপর হামলা, তাজিয়া মিছিলে বোমা নিক্ষেপ এবং পুলিশের এএসআই জনাব ইব্রাহিম মোল্লাকে হত্যাসহ সকল সন্ত্রাসী ঘটনাসমূহের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খুনী ও দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি প্রদান করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা দাবি জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তদন্ত কাজ শেষ হয়নি এবং খুনিরাও চিহ্নিত হয়নি।

জনাব শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেকটি ঘটনার সাথে সাথে তদন্ত শুরু হওয়া তো দূরের কথা, তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই বিরোধীদল বিশেষ করে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে দায়ী করে সরকারের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ অনবরত বক্তব্য দিয়েই চলেছেন।

এ সমস্ত বক্তব্য রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা এবং রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের কদর্য উদ্দেশ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। এ ধরনের অপচেষ্টার আবারও তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রতিটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরপরই স্পষ্ট ভাষায় নিন্দা জানিয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদানের আহবান জানিয়ে আসছি।

পাশাপাশি সরকার কোন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের উদ্যোগ নিলে আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকারও করেছি।

অতি দুঃখের বিষয় সরকার আমাদের কোন আন্তরিক বক্তব্য ও প্রয়াসকে আমলে না নিয়ে জোর করে আমাদের ঘাড়ে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে এ সমস্ত অপকর্মের দায় চাপানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, তাদের এ ধরনের অপপ্রয়াস অতীতে যেমন ব্যর্থ হয়েছে, এখনও নিঃসন্দেহে তেমনি ব্যর্থ হবে। আমরা সরকারকে এ ধরনের কদর্য ও নোংরা রাজনৈতিক খেলা থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

এসএইচ