জিয়া পরিবারকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আরাফাত রহমান কোকোকে কৌশলে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন তিনি।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সরকার ও শেখ হাসিনা মিলে জিয়া পরিবারকে ধ্বংসের জন্য নানা ষড়যন্ত্র করেছেন। এরই অংশ হিসেবে তারা আরাফাত রহমান কোকোকে কৌশলে হত্যা করেছেন। অথচ রাজনীতির বাইরে ছিলেন কোকো।’

কোকো রাজনীতির নির্মম শিকার মন্তব্য করে দুদু বলেন, ‘কোকোকে ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেপ্তার করে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। ওই শারীরিক নির্যাতনের ধকল থেকে তিনি আর সেরে উঠতে পারেননি। পরবর্তীতে মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে আছি। কোনো কথা না বললেও আমাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেয়া হচ্ছে। অথচ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কম কথা বলতে প্রধান বিচারপতিকে ধমক দিয়েছেন। কিন্তু তার ‍বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, সুয়োমুটোও হয়নি। এমন অবস্থার মধ্যে দিয়ে আমাদের যেতে হচ্ছে।’

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মালেক।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনীর হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

উল্লেখ্য, আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় মারা যান।

এমএইচ