মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় জিয়া পাকিন্তানি সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আজকে যখন তদন্তের মাধ্যমে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের কথা উঠে এসেছে বিএনপির লোকের নাম। তখন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান বলছেন সঠিক তদন্ত চাই।
আওয়ামী লীগ ন্যায় বিচারে বিশ্বাসী। এ কারণেই এ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। এ মামলা থেকে রেহাই পাবার কোনো সুযোগ নেই। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এ মামলার সুষ্ঠু বিচার হবে।
গত শুক্রবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের বক্তব্যে জবাবে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবীত হয়ে যুদ্ধ করেননি। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করেছিলেন মাত্র। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় জিয়া পাকিন্তানি সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা ৭৫-এর খুনিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন না।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, '৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট-এর ঘাতকরা এক ও অভিন্ন। এরা একাত্তরের পরাজিত শক্তি। এই অশুভ শক্তির বিষদাত ভেঙ্গে দেয়া হবে।'
বেগম খালেদা জিয়াও পাকিস্তানের এজেন্ট। কারণ তাকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা দল চালাতে টাকা দেয়। তিনি নির্লজ্জ্যভাবে পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
২১ আাগস্ট গ্রেনেড হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে হানিফ বলেন, ২০০৪ সালে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা হলো তখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় কারা ছিল। তখণ আপনারা তদন্ত করেননি কেন? এখন তদন্তের কথা বলছেন কেন? তখন করেননি কেন? হাওয়া ভবনে বসে দফায় দফায় বৈঠক করা হয়েছে।
এতবড় ভয়াবহ নিষ্ঠুর হামলার আলামত নষ্ট করার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যাবহার করেছেন।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রমূখ।
এমএ





