আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী সংসদের সদস্য সংখ্যা ৭৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১ করার প্রস্তাব করেছে ২০তম জাতীয় সম্মলেন প্রস্তুতি গঠনতন্ত্র উপ-কমিটি।
শুক্রবার (১৪অক্টোবর) ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য সংখ্যা ১৫ জন থেকে বেড়ে ১৯, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৩ থেকে বেড়ে ৪, সাংগঠনিক সম্পাদক ৭ থেকে বেড়ে ৮ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আরও দু’জন বাড়ছে।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আজকের সভা থেকে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। সম্মেলনের আগে দলের কার্যনির্বাহী সভায় এটা প্রস্তাব আকারে উপস্থাপন করা হবে। পরে প্রস্তাবটি আগামী ২২ থেকে ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের কাউন্সিলেও উত্থাপন করা হবে।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধাপরাধী এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পরিবারের সদস্যরা আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য হতে পারবে না এটাও গটনতন্ত্রে সংযোজন করার প্রস্তাব করা হবে।
সভায় স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড নামে আরেক ফোরাম গঠনতন্ত্রে সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংযোজন প্রস্তাবে আছে, স্থানীয় সরকার দলীয়ভাবে হওয়ার কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য একটি বোর্ড থাকবে। এই বোর্ডের নাম হবে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড। এই বোর্ডের সদস্য হবে ১৯ জন। দলের সভাপতি এই বোর্ডের সভাপতি হবেন এবং সদস্য সচিব হবেন দলের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তৃণমুলের মতামতের ভিত্তিতে এই বোর্ড চুড়ান্ত মনোনয়ন দেবে।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক তিনজন প্রার্থীর নাম চুড়ান্ত করে বোর্ডে পঠাবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আওযামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য সুজিত রায় নন্দী, নজরূল ইসলাম বাবু।
জারিফ





