বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে আইনী প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
বঙ্গবন্ধুর নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়া উচিত- তারেক রহমানের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যলয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
হাছান মাহমুদ বলেন, ২০০৮ সালে আর রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন তারেক রহমান। বিদেশে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃতি করছেন তিনি। আইনি প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। তার নামে নতুন করে কয়েকটি মামলাও করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) পালাতক আসামি, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজ, খুনি ও জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান লন্ডনে বসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করছে। যা উম্মাদ কিংবা নেশাগ্রস্তের প্রলাপ ছাড়া কিছুই নয়। তার এ ধরণের বানোয়াট মিথ্যাচার কথামালাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করছি। একই সাথে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে এসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন- তারেক রহমানের এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি লাভের পর পাকিস্তানের সাথে আমাদের কোন কূটনৈতিক সম্পর্কই ছিল না। তদ্রুপ কারণে দূতাবাসও ছিল না। সুতরাং পাসপোর্ট প্রসঙ্গ আসবে কোথা থেকে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এতবড় মাপের বিশ্বনেতা ছিলেন পাকিস্তান থেকে লন্ডন, দিল্লি হয়ে ঢাকা আসতে পাসপোর্ট তো দূরের কথা কোন ট্রাভেলস ডকুমেন্টেরও প্রয়োজন হয়নি। এটাই সত্য, এটাই বাস্তব, এটাই প্রকৃত ইতিহাস।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম এমপি, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।
এমআর/ এআর





