বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেছেন,বিরোধী দল দমনের জন্য সরকার র্যাবের পরিবর্তে এখন পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করছে। সেজন্য দেশব্যাপী আবারো হত্যা, নির্যাতন,গ্রেফতার শুরু হয়েছে।
শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী আহমেদ বলেন,বিরোধী দল শূন্য শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য সরকার তার ‘ইচ্ছা’ বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়িত্ব দিয়েছে।
এ কাজে যারা সফল হচ্ছে ওইসব সদস্যকে সরকার পুরস্কৃত করছে। সরকারের মদদ না থাকলে এসব ঘটনার জন্য ক্ষমতাসীনরা বিচলিত হয়ে ব্যবস্থা নিতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘মিরপুরের ঝুট ব্যবসায়ী সুজনকে পুলিশের কর্মকর্তা জাহিদ নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। তাতে গোটা দেশবাসী আতঙ্কে। সুজনের পরিবার অভিযোগ করেছে, ওই হত্যাকাণ্ডেরসঙ্গে মিরপুর থানার ওসি সালাহ্উদ্দিন আহমেদও জড়িত।’
বিএনপির এ যুগ্ম মহাসচিব মিরপুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
রাজনীতি ও রক্তপাতের মধ্যে পরস্পর নির্ভরতা সৃষ্টি আওয়ামী লীগের তাৎপর্য- মন্তব্য করে বিএনপির এইনেতা বলেন, ‘এরা জনগণ থেকে ধিকৃত হয়ে বর্তমান রাজনৈতিক টালমাটাল অবস্থা সামাল দেয়ার জন্য হত্যা, গুম, অপহরণকেই একমাত্র সমাধান মনে করছে।’
তিনি বলেন, একটির পর একটি হত্যা তাদের মানসিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে।
রিজভী অভিযোগ করেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা বিএনপির নেতা এস এম বিপ্লবকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরে নিয়ে যায়। পরে বন্দুকযুদ্ধের নামে তার পায়ে গুলি করা হয়। একপর্যায়ে ওই এলাকার সরকার সমর্থকরা পুলিশের সহযোগী হয়ে বিপ্লবের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালালে তার মৃত্যু হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করীম শাহিন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা, এমএইচ, ১৮জুলাই(টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর





