বাংলাদেশের গাইবান্ধায় এক শিশুকে গুলি করার ঘটনায় আলোচিত সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন গ্রেপ্তার হওয়ায় সেখানে সংকটে পড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় আন্দোলনকারীরা।

গত ২ অক্টোবরে ঘটা ঐ ঘটনা নিয়ে বিব্রত স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার, এবং তাকে দল ও জাতীয় সংসদ হতে বহিষ্কার করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।

সুন্দরগঞ্জের পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন বলছেন, এ ঘটনায় দল এক বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিল এবং দলের ভাবমূর্তি নিয়ে এক ধরণের সংকট তৈরী হয়েছিল।

সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার হওয়ায় সংকটে পড়া দলের ভাবমূর্তি এবার রক্ষা হবে বলে মি. মামুনের বিশ্বাস।

তিনি আরো বলেন, সংসদ সদস্য অপরাধ করেছেন, এবং এখন অপরাধীর যথাযথ বিচার হবে, এই তাদের প্রত্যাশা।

তবে, সেই সঙ্গে মি. মামুন এও জানান যে, সুন্দরগঞ্জে তাদের চালিয়ে যাওয়া আন্দোলন একজন অপরাধীর বিরুদ্ধে, তারা দলের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলন করছেন না।

বুধবার রাতে ডিবি পুলিশ সংসদ সদস্য লিটনকে রাজধানীর উত্তরা পাঁচ নম্বর সেক্টারের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।

প্রথমে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে রাখার কথা ভাবা হলেও, পরে রাতেই তাকে গাইবান্ধায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ডিবি পুলিশের একটি দল এমপি লিটনকে নিয়ে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌঁছায়। আজ সকালে তাকে সেখানের আদালতে তোলা হবে।

এদিকে, ঘটনার পর পর সংসদ সদস্য তাঁর দুটো অস্ত্র স্থানীয় থানায় জমা দেন, আর সেখানকার কর্তৃপক্ষ দুটো অস্ত্রেরই লাইসেন্স বাতিল করে।

সেখানে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হলেও তিনি আদালতে যাননি, কিংবা তাকে এতদিন গ্রেফতারও করা হয়নি।বিবিসি বাংলা

এমআর