মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি ৫ পুত্র ও ১ কন্যা, নাতি-নাতনি ও বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন। মরহুমের নামাজে জানাযা ৫ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তার নিজ এলাকা তারাটি গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে বাড়ির পাশে পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে জনাব মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, “জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী একজন বলিষ্ঠ সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি আজীবন মানুষের খেদমতে কাজ করে গিয়েছেন। নিজের বাড়ির পাশে মহিলাদের নামাজের ব্যবস্থাসহ একটি মসজিদের কাজ শুরু করে গিয়েছেন। তিনি ইসলামের প্রচার ও প্রসারে দ্বীনের দাঈদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার সকল গুণাহখাতা মাফ করে দিয়ে তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। জানাযা ও দাফন শেষে মরহুমের সন্তান ও পরিবারবর্গকে নিয়ে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জনাব মতিউর রহমান আকন্দ মহান রবের নিকট দোয়া করেন।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি জনাব মতিউর রহমান আকন্দ, মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মুসলেহ উদ্দিন, জেলা জামায়াতের আমীর জনাব আবদুল করিম, জেলা সেক্রেটারি মুজাম্মেল হক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা বদরুল আলম, মুক্তাগাছা থানা আমীর জনাব শামসুল হক, থানা সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক লোক জানাযায় শরীক হন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি //এমএইচ