স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তাঁর স্ত্রী রাশিদা খানম বৃহস্পতিবার এক সংবর্ধনার আয়োজন করেন। সেখানে একটি কেক কাটেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গভবনের সবুজ লনে আয়োজিত এ সংবর্ধনায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও সংবর্ধনায় যোগ দেননি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ বিএনপির নেতারা।
বুধবার দুপুরে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম আমন্ত্রণপত্রটি খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পৌঁছে দেন। এ ছাড়া বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের জন্য আরও ২০টি আমন্ত্রণপত্র দেন তিনি। খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার আমন্ত্রণপত্রগুলো গ্রহণ করেন।
এর সত্যতা নিশ্চিত করে মিডিয়া উইংয়ের আরেক সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খালেদা জিয়াসহ বিএনপির অন্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের জন্য ২১টি আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়।
বাসস জানিয়েছে, বঙ্গভবনের আজকের সংবর্ধনায় মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্যরা যোগ দেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও এতে যোগ দেন। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, ডেপুটি স্পিকার, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, কূটনীতিক, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, সাংসদ, জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা, জাতীয় অধ্যাপক, সম্পাদক, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী নেতা, সিনিয়র সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সংবর্ধনায় যোগ দেন।
দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি কেক কাটেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্য আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁরা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের কল্যাণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সংবর্ধনায় শিল্পী ফকির আলমগীর, ফাতেমা-তুজ জোহরা, কিরণ চন্দ্র রায়, মমতাজ বেগম ও আবু বকর সিদ্দিকী দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।
কেএইচ





