দেশে একের পর এক গুপ্ত হত্যা নিয়ে সরকার ও পুলিশের রাজনৈতিক অপপ্রচার, বন্দুক যুদ্ধের নাটক সাজিয়ে নেপথ্যের নায়কদের আড়াল করার অপচেষ্টা এবং সরকারের রহস্যময় ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, গুরুত্বপূর্ণ আসামীকে বন্দুক যুদ্ধের নাটক সাজিয়ে হত্যার মাধ্যমে দেশে ধারাবাহিক গুপ্ত হত্যার সাথে সরকারের সংশ্লিষ্টতারই প্রমাণ হয়েছে। প্রথমে সরকারের নির্দেশে পুলিশের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ফয়জুল্লাহ ফাহিমের সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে ঘৃণ্য অপপ্রচার করে। কিন্তু পরে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সারওয়ার হোসেন তাকে হিজবুত তাহরীর কর্মী বলে উল্লেখ করে। গুপ্তহত্যার ক্ষেত্রে ফাহিম হাতেনাতে ধরা পড়া একমাত্র ও গুরুত্বপূর্ণ আসামী ছিল। তার মাধ্যমে আসল খুনিদের রহস্য বের করার যাবে আশা করেছিল জাতি। কিন্তু রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তাকে বন্দুক যুদ্ধের নাটক সাজিয়ে হত্যা করায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় বন্দুক যুদ্ধে হত্যা কোন ভাবেই স্বাভাবিক নয়। ফয়জুল্লাহ কে হত্যার মধ্যদিয়ে চলমান গুপ্ত হত্যা নিয়ে সরকারের রহস্যময় আচরণই স্পষ্ট হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে একের পর এক গুপ্ত হত্যা হয়েছে। অদৃশ্য কারণে একটি খুনেরও সঠিক বিচার বা তদন্ত হয়নি। যা দেশের মানুষকে আরও শঙ্কিত করে তুলেছে। আমরা বলব, এসব নাটক ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কোন ভাবেই আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করবে না বরং অবিচারকে উৎসাহিত করবে।
তারা আরো বলেন, আমরা অবিলম্বে, জনগণের জান-মাল নিয়ে তামাশা বন্ধ করে নিরাপত্তার বিধান ও আসল খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে গুপ্ত হত্যাকে পুঁজি করে গ্রেপ্তারকৃত হাজার হাজার নিরপরাধ ছাত্রজনতাকে মুক্তি দিতেও জোর দাবি জানাচ্ছি।
এমআইএস





