‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা জীবিত খোকাকে সরকার দেশে ঢুকতে দেয়নি।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

ফখরুল বলেন, `সাদেক হোসেন খোকার মতো একজন মুক্তিযোদ্ধাকে জীবিত অবস্থায় দেশে ঢুকতে দেয়নি সরকার। এ রকম ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।‘

৭ নভেম্বরের চেতনায় জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। 

‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের’ কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সিপাহী-জনতা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে। আমরা বরাবরই এই দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি।’ 

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের সংগ্রাম করায় সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ও অনৈতিকভাবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটক করে রেখেছে। শপথ নিয়েছি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত করে গণতন্ত্রকে মুক্ত করব।’ 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জোর করে ক্ষমতা দখল করে রাখা এই নতজানু সরকার বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। আমরা বিশ্বাস করি জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের পক্ষের সরকার গঠন করতে আমরা সক্ষম হবো।

শ্রদ্ধা নিবেদনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খোকার মরদেহবাহী গাড়িটি পৌঁছায়। পরে দক্ষিণ প্লাজায় অস্থায়ীভাবে স্থাপিত মঞ্চে মরদেহের কফিনটি রাখা হয়। সেখানে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এএস