যুবলীগের ৭ম কংগ্রেস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকালে যুবলীগের নীতি নির্ধারণী সর্বোচ্চ ফোরামের এই সভা হয়।
জাতীয় কংগ্রেসের আগে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে সংগঠনটির অধিকাংশ প্রেসিডিয়াম সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে সভায় উপস্থিত ছিলেন না যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ। তবে চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তেই এই বৈঠক হয়েছে বলে দাবি করেন প্রেসিডিয়াম সদস্যরা।
প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মধ্যে শহিদ সেরনিয়াবাত, শেখ শামসুল আবেদীন, আলতাব হোসেন বাচ্চু, মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, মজিবুর রহমান চৌধুরী, মো. ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরন, আবদুস সাত্তার মাসুদ, মো. আতাউর রহমান, অ্যাডভোকেট বেলাল হোসাইন, আবুল বাশার, মোহাম্মদ আলী খোকন, অধ্যাপক এবি এম আমজাদ হোসেন, আনোয়ারুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার নিখিল গুহ, শাহজাহান ভুইয়া মাখন, ডা. মোখলেছুজ্জামান হিরু, শেখ আতিয়ার রহমান দীপু বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে দীপু সাংবাদিকদের বলেন, সভা ডাকার অনুমতি চেয়ারম্যান দিয়েছেন। চেয়ারম্যানের নির্দেশই এই সভা হয়েছে। তবে তিনি কেন আসেননি সে বিষয়টি জানা নেই। হয়তো অসুস্থতার কারণে।
যুবলীগের আসন্ন সম্মেলনে সভাপতিত্ব কে করবেন জানতে চাইলে অধ্যাপক এ বি এম আমজাদ হোসেন বলেন, “এর দায় দায়িত্ব সম্পূর্ণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। উনি যেভাবে বলবেন সেভাবেই হবে।”
“আজ সাধারণ সম্পাদক সভাপতিত্ব করেছেন। চেয়ারম্যান একটি বড় পোস্ট, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন আমরা তাই করব।”
শেখ আতিয়ার রহমান দিপু বলেন, আনিসুরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে অনেক অভিযোগ এসেছে। এই অভিযোগের কারণে আমাদের আজকের প্রেসিডিয়াম বৈঠকে তাকে বহিষ্কারের বিষয়ে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বহিষ্কারের আগে কি তাকে আপনারা শোকজ করবেন? -এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনতো শোকজ করার সুযোগ নেই।
কাজী আনিসুর রহমান যুবলীগের দফতর সম্পাদক পদে ছিলেন। তিনি যুবলীগ অফিসের পিয়ন থেকে কেন্দ্রীয় নেতা বনে যান। তিনি যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
সরকারের চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট ও তার সহযোগী যুবলীগ নেতা আরমান গ্রেফতারের পর ওমর ফারুক চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তলব করা হয় তার ব্যাংক হিসাব। এরপর রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে আড়ালে চলে যান ওমর ফারুক চৌধুরী।
এমবি





