বিদেশি কূটনীতিকরা এখন বুঝতে পেরেছে কারা সন্ত্রাস ও সহিংসতা লালন করে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর এক বছর তিন মাস কেটে গেছে। এর মধ্যে অনেক নতুন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে এসেছেন। তারাসহ যারা আগে থেকে আছেন তারা ঘটনা প্রবাহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। আর পর্যবেক্ষণেই তারা বুঝতে পেরেছেন বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসভিত্তিক রাজনৈতিক দল।

আন্দোলনের নামে তারা সন্ত্রাস লালন করে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে ৮৫ দিন ধরে সেটা তাদের কাছে স্পষ্ট।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে এমন মত দিয়ে শাহরিয়ার আলম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শিগগিরই দ্বি-পাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপে বসছে বাংলাদেশ। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সে বৈঠকে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আশাকরি এ বছরেই সফরটি হবে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী চলতি বছর বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

কেবল কূটনীতিক নয়, উন্নয়ন সহযোগিতায়ও বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সঙ্কটগুলো কাটিয়ে এখন অগ্রসরতার পথে হাঁটছে, এমন মত শাহরিয়ার আলমের।

এ প্রসঙ্গে রানা প্লাজার দুর্ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন সংস্থা, শ্রম অধিকার সংগঠন তথা ক্রেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে গেছে।

আইএলও রানা প্লাজার দুর্ঘটনার পর ৭৭ শতাংশ কারাখানা পরিদর্শন শেষ করেছে। যেসব কারখানায় সন্তোষজনক কর্মপরিবেশ রয়েছে। এটি একটি চমৎকার অর্জন, বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যে দেশ এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাকে সহযোগিতা না করে উপায় নেই।  

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেওয়া জিএসপি সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা সহ যেসব বন্ধুরাষ্ট্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা করে তারা লক্ষ রাখে বাংলাদেশ তাদের দেওয়া সুবিধা কাজে লাগাতে পারে কিনা। আর এ ব্যাপারে তারা সন্তুষ্ট থাকে বলেই সহযোগিতার মাত্রা দিন দিন বাড়ছে।

এ ধরনের শত শত সূচকের সবগুলোতে বাংলাদেশ টিক মার্ক পেয়েছে বলেই জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

এসএইচ