জনগণকে ভয় পায় বলেই জনসভার মতো গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অনুমতি দিতে সরকার এতো কার্পণ্য করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন,২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকার রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ,মিছিল বন্ধ করে দিয়েছে।
শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নারায়ণগঞ্জসহ দেশব্যাপী খুন, গুম, অপহরনের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত জনসভার অনুমতি পায়নি বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে তিনটি বিকল্প ভেন্যু পছন্দ করে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখনো এ ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি। তবে দলটি প্রত্যাশা করছে সরকার গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনে দ্রুতই জনসভার অনুমতি দেবে।
তিনি বলেন,বিএনপি গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনীতি করতে চায় এবং এভাবে জনগণের সামনে দলের বক্তব্য উপস্থাপন করতে চায়। সরকারকে এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সমাবেশের অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানান মির্জা আলমগীর।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জানান,প্রথমে যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক প্রাঙ্গণে অনুমতি চাওয়া হলেও পরে মাতুয়াইল কনকর্ড হাউজিং মাঠে জনসভার স্থান নির্ধারিত হয়। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কিছুই জানায়নি।
সারাদেশে এখন অপহরণ, খুন ও গুম মহামারি আকার ধারণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদী-নালা, খাল-বিল এমনকি বঙ্গোপসাগরের মোহনাতে গুলিবিদ্ধ লাশ ভাসছে। যারা জীবন রক্ষার দায়িত্বে আছেন তারা জীবন হরণ করছে। সেজন্য জননিরাপত্তা হুমকির মূখে পড়েছে।
মির্জা আলমগীর অভিযোগ করেন,বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে ডেমরা থানা যুবদলের সভাপতিকে সাদা পোশাকের পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
নারায়ণগঞ্জ সাত খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তিন র্যা ব কর্মকর্তাকের গ্রেফতার না করায় সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন,‘গত ৫দির ধরে টালবাহানা চলছে। স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রানালয় একেক সময় একক কথা বলছে। তাই এ হত্যাকাণ্ডে কেউ ধরা পড়বে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কারন অভিযুক্তদের একজন সরকারের প্রভাবশালীর মন্ত্রীর আত্মীয়।’
অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে সরকার উচ্চ আদালতের রায়কে অবহেলা এবং উপেক্ষা করছে বলেও দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং জনসভার সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম বলেন,‘আজ ২টার মধ্যে জনসভা করার অনুমতি দিলে কমপক্ষে ৫লাখ লোকের সমাগম ঘটবে। ব্যর্থ হলে জীবনে আর সংবাদ সম্মেলনে আসবো না।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,ডেমরা,যাত্রাবাড়ী,গণভবন,বঙ্গভবন-সরকার চাইলে যে কোনো জায়গায়ই অনুমতি দিতে পারে। বিএনপি যে কোনো জায়গায় জনসভা করতে রাজি আছে।
যদিও ১৪ মে দলের এক যৌথসভায় জনসভায় ১০ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলেন তিনি। তরিকুল ইসলাম বলেন,সরকার যেভাবে অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছে তাতে করে শেষ রক্ষা হবে না। এ সরকারের বিরুদ্ধে যেকোনো সময় গণবিস্ফোরণ ঘটবে,এটি এখন সময়ের ব্যাপার।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,যুগ্ম মহাসচিব মো.শাজাহান,বরকত উল্লাহ বুলু,রুহুল কবির রিজভী,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি,মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক শিরিন সুলতানা,সহ দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি প্রমুখ।
[b]ঢাকা,এমএইচ,১৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস[/b]
রাজনীতি
জনগণকে ভয় পায় বলেই জনসভার অনুমতি দিচ্ছে না: ফখরুল
জনগণকে ভয় পায় বলেই জনসভার মতো গণতান্ত্রিক কর্মসূচির অনুমতি দিতে সরকার এতো কার্পণ্য করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন,২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকার রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায়





