পুলিশের ট্রাকে হাসপাতালে নেওয়া হলো নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে। সুচিকিৎসার স্বার্থে মান্নার মুক্তিও দাবি করেন তার স্ত্রী মেহের নিগার।
মেরুদণ্ড, ঘাড় ও হাঁটুতে চরম ব্যথা অনুভব করলে গতকাল বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয় মান্নাকে।
সেখানে মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শামসুন্নাহারের তত্ত্বাবধানে একটি থেরাপি দেওয়া হয়। চিকিৎসক তাকে একদিন পরপর একটি করে মোট ১২টি থেরাপি দেওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে নরম বিছানায় শোয়ার কথাও জানান। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ডাকসুর সাবেক ভিপি মান্নাকে ডিভিশন দেওয়া হয়নি। জেলখানার কম্বল পেতেই তার বিছানা করা হয়েছে। গরমে তার শারীরিক দুর্বলতা আরও বেড়েছে। মান্নাকে ডিভিশন দেওয়ার জোর দাবি জানান তার স্ত্রী মেহের নিগার। একই সঙ্গে সুচিকিৎসার স্বার্থে মান্নার মুক্তিও দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিকুল ইসলাম বলেন, এভাবে প্রতিদিন টানাহেঁচড়া না করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা দেওয়া উচিত। আমরা তার সুচিকিৎসার জন্য নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।
গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতারের পর মান্নাকে প্রথম দফায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর তাকে আবারও দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রিমান্ডে নেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন মান্না। তার হার্টে ৩টি ব্লক ধরা পড়েছে।
এমবি





