ইয়াছিন রানা : বিএনপি-জামায়াতকে অশুভ শক্তি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, এই অশুভ শক্তিকে উৎখাত করতে পারলেই বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের আত্মা শান্তি পাবে।

আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তিদের সাথে হাত মিলিয়ে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে পেছনের দরজা দিয়ে মেজর জিয়া ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি গঠন করেছেন। এখন এই অশুভ শক্তির দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালেদা জিয়া এবং ইন্ধন দিচ্ছে জামায়াত। তাই এদের উৎখাত করতে না পারলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসার আত্মা শান্তি পাবে না।

হানিফ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে বঙ্গবন্ধুকে সাহস ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি বলেন- ৭১ ও ৭৫ এর খুনিরা এবং আজকের জঙ্গীরা এক ও অভিন্ন। আজকের জঙ্গীদের যে বিভিন্ন বড় ভাইদের কথা শুনি তারা আরকেউ নন, এরা জামাত-শিবির। এরা দেশে ধারাবাহিকভাবে নাশকতা ও গুপ্তহত্যা চালিয়ে সরকার পতনে ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষ হলি আর্টিজান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গী হামলা চালায়। হলি আর্টিজানে হামলার দুইদিন পর বেগম খালেদা জিয়া এটিকে রক্তাক্ত অভ্যূত্থান অভিহিত করে মূলতঃ ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা ও সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার আহবানে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। ১লা আগস্ট সারা দেশে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়েছে। পাড়া-মহল্লায় সকল মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা জঙ্গীবাদের শিকড় উপড়ে ফেলবো।

অনুষ্ঠানে ইঞ্জিঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু হবার পেছনে যে মানুষটির অবদান সবচেয়ে বেশি ছিল, তিনি আমাদের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা সম্পর্কে বিস্তর স্মৃতিচারণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহে আলম মুরাদ বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশকে জঙ্গীবাদমুক্ত করবো এটাই হবে আজকের দিনের শপথ।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহে আলম মুরাদ এর সভাপতিত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে আযোজিত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, খাদ্যমন্ত্রী এ্যাড. কামরুল ইসলাম এমপি, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।

ইআর/এমবি