মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির যৌক্তিক দাবিতে শিক্ষকমণ্ডলীর আন্দোলন অবশেষে সরকার মেনে নিয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষকমণ্ডলী যথেষ্ট কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছেন। বছরের শেষ প্রান্তে শিশু-কিশোর ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনারও কিছুটা প্রভাব পড়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি আগেই হলে শিক্ষকদের কষ্ট ও শিক্ষার্থীদের ক্ষতি—উভয়ই এড়ানো যেত। শিক্ষকদের প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে।
সরকার ১ নভেম্বর থেকে মূল বেতনের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং জুলাই থেকে মোট ১৫ শতাংশ হিসেবে বাড়িভাড়া ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এ অনুমোদন দিয়েছে।
এরপর বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর টানা ১০ দিন চলা আন্দোলন শেষ করেছেন শিক্ষকরা। তবে বাকি দাবিগুলো পূরণের জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।
এমএম