একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুর এবং বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর চট্টগ্রামের রাউজানে তার পারিবারিক দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার সকাল সোয়া ৭টায় ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসা গেটের পাশে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় মুজাহিদকে।
এর আগে রোববার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তায় তার জানাজার নামাজ পড়ানো হয়।
জানাজা পড়ান তার বড় ভাই আলী আফজাল মোহাম্মদ খালেফ। তবে নিরাপত্তার খাতিরে নিকটাত্মীয় ছাড়া জানাজায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি স্থানীয়দের।
রোববার সকাল সাড়ে ৬টায় মুজাহিদের লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ফরিদপুরে পৌঁছায়।
অপরদিকে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীকে চট্টগ্রামের রাউজানে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
রোববার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে রাউজানের গহিরায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাকা চৌধুরীর প্রয়াত ভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে গহিরার নিজ বাড়ি বাইতুল বিলালের উঠানে সাকা চৌধুরীর লাশের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় সাকা চৌধুরীর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অংশ নেন।
সকাল ৯টায় সাকার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স রাউজানের গহিরায় পৌঁছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গহিরায় পারিবারিক কবরস্থানে ছোট ভাইয়ের কবরের পাশে সালাউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এই দুই যুদ্ধপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এর দুই ঘণ্টা পর সাকা-মুজাহিদের মরদেহ নিয়ে নিজ নিজ জেলায় রওনা হয়।
এআই





