বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে গত ৫ বছরে ৫.২ বিলিয়ন ডলারের কাজ শেষ হয়েছে। ৮.৫ বিলিয়ন ডলারের কাজের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে এবং ২৪ বিলিয়ন ডলারের কাজ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক -ই -এলাহী চৌধুরী।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটি আয়োজিত ‘আলোকিত বাংলাদেশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অর্জন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশের যে উন্নয়ন করছে। তা আর কেউ করতে পারবে না। এটা করা সম্ভব নয়। তাই আমরা যদি এই সরকারকে সমর্থন দিতে পারি। তাহলে দেশের উন্নয়ন হবে। কর্ম দিয়ে মানুষের পরিচয় হয়। গত ৫ বছরে শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন করেছেন, তাতেই বোঝা যায় আগামী ৫ বছরেও দেশের উন্নয়ন হবে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড ও ভবিষ্যৎত পরিকল্পনা তুলে ধরে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে সাড়ে ১০ বা ১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রয়েছে। এখন আমরা সেটাকে ২৪ হাজারের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। ২০২১ সালে বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ২০৩০ সালে বাংলাদেশে ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎতের চিন্তা করি আমরা। ২০৩০ সালে বাংলাদেশ একটি উন্নয়ন রাষ্ট্রে পরিণত হবে। শুধু শেখ হাসিনার একক নেতৃত্বেই কারণেই বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা বলছেন বিদ্যুৎতের দাম বাড়ছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি- বিদ্যুৎতের দাম বাড়ছে না। সময়ের সাথে আমরা কেবল মূল্যটাকে সমন্বয়ের চেষ্টা করছি। এখন দেশর জনগণের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। দেশও এগিয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালনি খাতে দুর্নীতি প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রি-পেইড মিটার ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া হবে।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম এমপি, এফবিসিআই এর সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য ড. সেলিম রহমান প্রমুখ।

এমআর/কেএইচ