জানুয়ারিতে রাজনৈতিক মাঠ আওয়ামী লীগের দখলে থাকবে এবং বিএনপির কোনো অস্তিত্ব থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীতে ‘বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট’ আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির আন্দোলনের হুমকি সম্পর্কে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা টকশোতে বলে জানুয়ারিতে দেশে অরজাকতা সৃষ্টি হবে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই জানুয়ারিতে দেশে কিছুই হবে না। ২০১৩ সালের মতো নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

তিনি বলেন, বিএনপি কিছুই করতে পারবে না। আমি লিখে দিতে পারি, আপনারা দেখবেন কাঁথা-বালিশ নিয়ে একজন পার্টি অফিসে শুয়ে থাকবে। এছাড়া কিছুই হবে। বিএনপির কিছুই করার ক্ষমতা নেই।

তিনি বলেন, আদালতে হাজির হওয়ার নামে আজকেই একটি সোডাউন করার চেষ্টা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদান জিয়া। তিনি একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালচ্ছে। তবে যতই বিশৃঙ্খলা করেন না কেন আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। আইনের নিয়ম-কানুন মেনেই বিচার কাজ সম্পন্ন করা হবে। তাতে আপনার ভাগ্যে যা আছে তাই হবে। বিশৃঙ্খলা করে কোনো লাভ হবে না।

কামরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কিছু জানেনা বলেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মুজিব বাহিনী সম্পর্কে বিদ্রুপ করেছেন। আমি তাকে এই মুজিব বাহিনী নিয়ে মন্তব্য না করার জন্য আহবান জানাবো। মিথ্যাচার ছেড়ে সঠিক রাজনীতিতে ফিরে আসুন।

তিনি বলেন, আব্দুল জলিল একজন কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। এ ধরনের নেতা এখন আর পাওয়া যায় না। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর বিচারকার্যে আমরা শেষ পর্যায়ে নিয়ে আসছি। এই সরকারের মেয়াদে এদের বিচারকার্য আমরা শেষ করতে পারবো ইনশাল্লাহ।

সংগঠনের সহ-সভাপতি মোবারক আলী সিকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট অভিনেতা এ.টি.এম. শামসুজ্জামান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা জি. এম. আতিক, সাবেক কৃষক লীগ নেতা এম.এ করিম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু প্রমুখ।

এমআর/কেএইচ