৭১ এর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকরকে একটি মাইলফলক ও নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন গণজাগরণ মঞ্চ।
শনিবার রাতে শাহবাগে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকরে সেখানে আনন্দ-উল্লাস করে গণজাগরণ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা।এসসময় তারা আনন্দ মিছিল করে এবং জড়ো হয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠে এই গণজাগরণ মঞ্চ।
ইমরান এইচ সরকার বলেন, এই রায় কার্যকরের মাধ্যমে নতুন যুগের সূচনা হলো এবং বাংলাদেশ পুরো একটি অধ্যায় সম্পন্ন করেছে।
তিনি বলেন, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া যেন এখানেই শেষ না হয়ে যায়। এটা যেন অব্যাহত থাকে। স্বাধীন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য যেন অর্জিত হয়।
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র বলেন, কাসেম আলী ছিলেন জামায়াতের মূল অর্থ যোগান দাতা। তার ফাঁসি কার্যকরে জামায়াত কিছুটা হলেও দুর্বল হবে। একই সঙ্গে জামায়াত নিষিদ্ধ করা সহজ হবে এবং এটা যেন সরকার ত্বরান্বিত করে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। শনিবার রাতে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় এই নেতার মৃত্যুদণ্ড গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি ফাঁসি কার্যকরের ৬ষ্ঠ ঘটনা। এর আগে ৫ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা এবং ১জন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার ফাসিঁ কার্যকরের ঘটনা ঘটে ।
এসএম,
পরিমার্জন-এসএ





