ধর্ম অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে লতিফ সিদ্দিকীকে ফাঁসি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহ।
২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি মানা না হলে হরতাল ও অবরোধের মত কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি। এ দাবিতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।
বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বুধবার জোহর নামাজের পর পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিক্ষোভ শেষে সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আবু তাহের জেহাদীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিতে যান।
জোহর নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। বাধার মুখে তারা মসজিদ বাউন্ডারির ভেতরেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান বলেন, দেশের সরকার প্রধান ও বিরোধী দলের নেত্রী মুসলমান। মুসলমান হওয়া সত্বেও কেন এত দিন ধর্ম অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান পাশ করা হচ্ছে না? সরকারই বিষয়টি জিইয়ে রেখে রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ধর্ম অবমাননাকারী মুরতাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান পাশ করে লতিফ সিদ্দিকীকে ফাঁসি দিতে হবে। তার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত তৌহিদী জনতা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহের কেন্দ্রীয় নেতা ড. খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে হরতাল-অবরোধের মত কঠোর কর্মসূচি দিতে আমরা বাধ্য হব।
লতিফ সিদ্দিকীকে বাঁচানোর কোনো ষড়যন্ত্র তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না বলেও হুমকি দেন তিনি।
সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে মাওলানা মহউদ্দিন রব্বানী, শর্ষিণার ছোট পীর মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ, মাওলানা আবু তাহের জেহাদী, মুফতী ফখরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জেআই





