আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ভোট দেওয়ার দাবি করলেও কেন্দ্রে তার ভোট দেওয়ার কোনও তথ্য নেই। যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মোট ৫টি কেন্দ্র।
মনু শনিবার সকাল এসে দক্ষিণ ভবনের তৃতীয় তলায় একটি বুথে যান। যেখান থেকে বের হয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন ভোট দিয়েছেন।
তৃতীয় তলার ২৯ নম্বর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে হচ্ছে।’
আওয়ামী লীগ প্রার্থী ভোট দিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাকে তিনি বলেন, ‘তিনি এখনও আমার কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেননি।’
৪র্থ ও ৫ম তলায় পৃথক আরেকটি কেন্দ্র। সেই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মাহমুদুন্নবীও জানান তার কেন্দ্রে মনু ভোট দেননি।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি প্রার্থী সালাউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘তিনি (মনু) ঢাকা-৪ এর ভোটার। তিনি কীভাবে ভোট দেবেন? এটা হাস্যকর। আওমায়ী সন্ত্রাসীরা মিথ্যাচারই করে।’
অন্যদিকে, ঢাকা-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এই আসনের ভোটার নন সালাহউদ্দিন নিজেও। তবে এজন্য নির্বাচন কমিশনকে তিনি দায়ী করেন।
তিনি বলেন, আমি এই আসনের ভোটার ছিলাম। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমি ঢাকা-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। তখন আমার ভোট সেই আসনে নিবন্ধিত করি। তবে এবার এই আসনে আবার পরিবর্তন করে আনতে চাইলেও নির্বাচন কমিশন আমাকে সেই সুযোগ দেয়নি।
এএস





