দেশের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ভাইস চেয়ারম্যান পদেও বিএনপি-জামায়াত জোট ব্যাপক জয় পেয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত ৩২ জন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত ২৪ জন, জামায়াত সমর্থিত ২৩ জন, স্বতন্ত্র ছয়জন, জাতীয় পার্টি তিনজন এবং অন্যান্য চারজন। বাকীগুলোর ফল পাওয়া যায়নি।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত ৩৪ জন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৩৪ জন, জামায়াত সমর্থিত ১০ জন, স্বতন্ত্র সাতজন, জাতীয় পার্টির একজন এবং অন্যান্য তিনজন জয়ী হয়েছেন।
প্রথম ধাপের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে জাতীয় নির্বাচন বর্জন করলেও উপজেলায় ভালো ফল করেছে জামায়াত। যুদ্ধাপরাধের বিচারে কোণঠাসা এ দলটির সমর্থিত ১৩ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। এবারে ২৮ উপজেলায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ছিল। এর মধ্যে সিলেটের জৈন্তাপুর, রংপুরের মিঠাপুকুর, নীলফামারীর জলঢাকা, বগুড়ার শেরপুর ও সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিএনপির প্রার্থী ছিল না। প্রথমে জামায়াতকে ১৪টিতে ছাড় দিলেও শেষ পর্যন্ত সাতটিতে বিএনপি স্থানীয়ভাবে একক প্রার্থী দেয়। অপর দুটিতে বিএনপি দলীয়ভাবে জামায়াতকে সমর্থন দিলেও বিদ্রোহীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে আটকাতে পারেনি। ১৪ উপজেলায় বিএনপি-জামায়াত দু'দলই আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী দেয়। এসব উপজেলার নয়টিতে জয়ী হয়েছে জামায়াত। নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির। সর্বশেষ নির্বাচনে সংসদে ৩৪ আসন পেলেও উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে এরশাদের দল।
[b]ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) //এফএ[/b]