২০ দলীয় জোট নেতা ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেছেন, জাতীয় শহীদ মিনার কারো বাপ-দাদার তালুকদারি নয়। অবাঞ্চিত ঘোষণার এখতিয়ার দেশবাসী কাউকে দেয়নি। ভাষা আন্দোলনের মহান শহীদ সালাম, বরকত, শফিক, জব্বার, রফিকরা দিল্লির স্বার্থরক্ষায় বুকের রক্ত দেয়নি। সুতরাং রক্তে ভেজা জাতীয় শহীদ মিনার নিয়ে দলবাজি-দখলধারী করা চলবে না।
শনিবার বিকালে পঞ্চগড় জেলা শহরের বকুলতলায় জেলা জাগপা কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ২৩ অক্টোবর নীলফামারীতে বেগম খালেদা জিয়ার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
শফিউল আলম বলেন, সরলমতি বালক-বালিকারা শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে কি বলেছে- কি করেছে এটা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। তবে নেপথ্যে জাতিকে বিভক্ত করার ভারতীয় এজেন্টদের লীলাখেলা এখনই রুখে দিতে হবে। স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, ৯ম সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলকে দিল্লির নির্দেশে ওরা রাজাকার বলার স্পর্ধা দেখিয়েছে। শহীদ মিনারে স্বাধীনচেতা বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার, মতিউর রহমান, আমেনা মহসিন, নুরুল কবীর, তুহিন মালিক, দিলারা চৌধুরী, আসিফ নজরুল, গোলাম মর্তুজার ঠাঁই না হলে বুঝতে হবে জাতীয় শহীদ মিনারের মালিকানা আর আমাদের হাতে নেই।
তিনি বলেন, ভালো চাইলে পদত্যাগ করে সবার অংশগ্রহণে অবিলম্বে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন। অন্যথায় আপনাদের করুণ পরিণতির জন্য বেগম খালেদা জিয়া কিংবা বিরোধী দল দায়ী থাকবে না।
জেলা জাগপা সভাপতি আনসার আলীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মফিজুল ইসলাম মফি’র পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাগপা’র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা রেহেনা প্রধান, খন্দকার আবিদুর রহমান, সাব্বির আলম চৌধুরী রাজিব, শেখ ফরিদ উদ্দিন পাটওয়ারী, মিনহাজ প্রধান রাব্বি, বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য মোজহার হোসেন, পঞ্চগড় পৌর মেয়র তৌহিদুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা জাগপা’র নেতা খাজিম উদ্দিন প্রমুখ।
জেএ





