যতক্ষণ পর্যন্ত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা না চাইবে ততক্ষণ পর্যন্ত সারাদেশে কোথাও খালেদা জিয়াকে জনসভাসহ কোন প্রগ্রাম করতে দেয়া হবে কি না তা ভেবে দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যুবলীগের সাথে এক যৌথ সভা শেষে সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হানিফ বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যে কটুক্তি করেছিল তার বিপক্ষে ছাত্রলীগ একটি যৌক্তিক দাবি তুলেছিল।এটা শুধু ছাত্রলীগের দাবি না।
এটা সারাদেশের সাধারণ মানুষের দাবি।অথচ খালেদা জিয়া সেটা আমলে নেয়নি।তাই জনগণই আগামীতে খালেদাকে সারাদেশের কোথাও সমাবেশ করতে দেবেনা।
তিনি আরও বলেন, কেউ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তি করবে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে মিথ্যাচার করবে এটা আওয়ামী লীগ কখনো বরদাস্ত করবে না।
এক পশ্নের জবাতে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতেও অনেকবার ধ্বংসাত্মক হরতালের আহ্বান করেছে।
জনগণত তাতে সাড়া দেয়নি। আশা করছি আগামীতেও তাদের কোন হরতালে কেউ সাড়া দেবে না।তারা রাস্তায় নামলে জনগণই তাদের প্রতিহত করবে।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হলে দেশে সাংবিধানিক শুণ্যতা সৃষ্টি হতো। তৃতীয় কোন শক্তি ক্ষমতায় আসার সুযোগ তৈরী হতো।এই জন্য ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছেন।
তাই আমরা আগামী ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করবো। এদিন সারাদেশে পাড়া মহল্লা থেকে বিজয় মিছিল বের করবে আওয়ামী লীগ।
এছাড়া, ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করা হবে।যাতে প্রধান অতিথি থাকবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
যুবলীগের সঙ্গে যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, উপস্থিত ছিলেন ডা. দিপু মনি, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুখ, আব্দুল মতিন খসরু, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, কামাল হোসেন সবুজ প্রমুখ।
এমআর/এসএইচ





