অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন যদি এই মূহুর্তে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়, শতকরা ৭২ ভাগ ভোট পাবে বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন, বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দল আয়োজিত তারেক রহমানের ৮ম কারামুক্তি দিবস ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এক কর্মজীবী সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির দূর্বল হওয়ার কোন কারণ নেই। দল পূর্ণগঠন করার ও দরকার নেই শুধু একটু ঢেলে সাজাতে হবে কারণ এই মূহুর্তেও যদি বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বিএনপি পাবে শতকরা ৭২ শতাংশ ভোট।
বর্তমান সরকারের সকল ক্ষেত্রে দুর্নীতি বাসা বেধেছে দাবী করে তিনি বলেন, ‘পাবলিক ব্যাংক থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে দুর্নীতি বাসা বাধেনি।
সরকারের মন্ত্রীরা বড় বড় কথা বলছেন, কাজের বেলায় তলাবিহীন ঝুড়ি এমন মন্তব্য করে বিএনপিপন্থী এই বুদ্ধিজীবী বলেন, ‘একদিকে মন্ত্রীরা বলছেন আমরা গণতন্ত্রের চেয়ে অর্থনৈতিক দিকে গুরুত্ব দিয়েছি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আজকে কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে একজন অর্থনীতিবিদকে প্রশ্ন করলে তিনিই ভাল উত্তর দিতে পারবেন।’
তেল গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রবীন এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, ‘যখন বিশ্ব বাজারে এগুলোর দাম কমছে ঠিক সেই মূহুর্তে অযুক্তিকভাবে বাংলাদেশে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে যা কখনও মেনে নেয়া যায় না। এমন ঘটনা যদি ইংল্যান্ডে ঘটত তাহলে পরের দিনই সেই সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারতো না।’
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশে অপ্রতিদ্বন্দী নেত্রী দাবী করে তিনি বলেন, ‘তার বিকল্প নেত্রী বাংলাদেশে নেই তার প্রমাণ যত প্রতিকূলতার মধ্যেই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তিনি জয় লাভ করেছেন।’
তিনি বলেন,‘যতক্ষন পযন্ত রাজনৈতিক স্থীতিশীলতা সমাজে প্রতিষ্ঠিত না হবে অর্থনৈতিক কোন কাজে আসবে না।
তিনি আরো বলেন,‘যারা ক্ষমতাকে অপব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন বলতে আমি বুঝি তাদের কে বারে বারে চাপ দিতে সত্য বাক্য উচ্চারণ করতে হবে তার জন্য গাড়ি পোড়ানো দরকার নেই।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হাজী মোহাম্মাদ লিটনের সভাপতিত্বে কর্মজীবী সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন,‘বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাড. আহমেদ আজম খাঁন প্রমূখ।
এমএ/এআই





