তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পুলিশের আইজি কিভাবে বললেন ফরহাদ মজহার অপহৃত হননি, তা বোধগম্য নয়। ফরহাদ মজহার খুলনায় পৌঁছার পর কি হয়েছে তা বলা হলেও কিভাবে তিনি খুলনায় পৌঁছলেন সে সম্পর্কেই কিছুই বলতে পারছেন না আইজিপি। একজন অপহৃত মানুষকে ভিকটিমাইজড করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কবি ও সাংবাদিক ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা আখতার।

আজ বৃহস্পতিবার এক দৈনিক পত্রিকায় অভিযোগ করে এসব কথা বলেন ফরহাদ মজহারের স্ত্রী।

ফরিদা আখতার বলেন, ফরহাদ মজহার অপহরণ মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। এরই মধ্যে আইজিপি কিভাবে বললেন ফরহাদ মজহার অপহৃত হননি?

ফরিদা আখতার বলেছেন, এই ঘটনার শেষের দিকের অংশের অনেক তথ্য থাকলেও প্রথম দিকের অংশের বিবরণ নেই। আইজিপি ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু একজন অপহৃত নাগরিকের নিরাপত্তার দিকটি তার বক্তব্যে গুরুত্ব পায়নি। নজরদারীতে থেকে একজন মানুষ ওসব করতে বাধ্য হয়েছেন কি-না, তাকে দিয়ে বাধ্য করানো হয়েছে কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অপহৃত একজন ব্যক্তিকে ভিকটিমাইজড করা হচ্ছে।

ফরিদা আখতার বলেন, আইজিপি বলেছেন ‘ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে সরকারকে বিব্রত করার জন্য।' এটা রাজনৈতিক বক্তব্য। পেশাদার একজন ব্যক্তির বক্তব্য এটা নয়।

তিনি বলেন, এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেছিলেন-সীমান্ত পার হলে ভয়াবহ ব্যাপার হতো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর আইজিপির দু’জনের বক্তব্য দু’রকম হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, মামলার এই পর্যায়ে এসে সুষ্ঠু তদন্ত না করে এক পেশে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে মোড় নেয়ানোর চেষ্টা চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এদিকে, আজ বেলা ১১টার দিকে অর্চনা রানী ফরহাদ মজহারের বাসায় ঢোকার চেষ্টা করেন।

জানা গেছে, ১১টার দিকে অর্চনা শ্যমলী রিংরোডস্থ ফরহাদ মজহারের ভবনের নিচে যান। তিনি ফরহাদ মজহারের বাসায় যেতে চাইলে দারোয়ানরা বাধা দেন। এতে তিনি আর ওই বাসায় ঢুকতে পারেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, এসময় অর্চনা রানীর সাথে কয়েকজন সাদাপোশাকের লোক দেখা গিয়েছে। এই অর্চনা রাণী ২০০৭ সালে উবিনিগ থেকে বহিষ্কার হন।

এমবি