বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সরকারের প্রতি অভিযোগ করে বলেছেন, যারা গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মুখে স্বাধীনতার কথা বলেন, তাদের মুখে এটি মানায় না। কারণ স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক পরিবেশে একটি শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দেশে আজ গণতন্ত্রের লেশমাত্র অবশিষ্ট নেই।
মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকনের কারামুক্তি উপলক্ষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে নির্বাচনের আগেই ১৫৩টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় বিজয়ী হয়ে যায়, সেই নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে মন্ত্রীদের মুখে দাম্ভিকতা মানায় না।
গয়েশ্বর বলেন, আন্দোলন নতুন করে শুরু করার বিষয় নয়, চলার পথে বাধা আসলে যেমন কৌশল করে চলতে হয়, তেমনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও অনেক দুর চলার পথে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়।
তিনি প্রধান মন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, তিনি যেভাবে সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কথাবার্তা বলেন এটি তার মুখে শোভা পায় না।
জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান সরকারের সমালোচনা করে বলেন,উনারা বলেন আমরা নাকি নির্বাচনের ট্রেন মিস করেছি। কিন্তু যে নির্বাচনে দেশের জনগণ অংশ নেয়নি, সেই নির্বাচনে আমরা অংশ নেইনি এটিই আমাদের সফলতা।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন বলেন, আমাকে কী কারণে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তা আমি আজও জানতে পারিনি। যদিও আমার বিরুদ্ধে কতগুলো মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছিল। যার একটিও আদালতে প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশবাসী দেখেছে নির্বাচনের নামে আওয়ামী লীগ তাদের সঙ্গে কি ধরনের তামাশা করছে। তাই বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ না নিয়ে দেশকে রক্ষা করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ঢাকাস্থ নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলা বাসীর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আব্দুর রহিম বাচ্চু। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
ঢাকা, এমএইচ, ১১ ফেব্রুয়ারি (টাইম নিউজবিডি.কম)//এসআর
গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মুখে স্বাধীনতার কথা মানায় না: গয়েশ্বর
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সরকারের প্রতি অভিযোগ করে বলেছেন, যারা গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মুখে স্বাধীনতার কথা বলেন, তাদের মুখে এটি মানায় না। কারণ স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক পরিবেশে একটি শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।















