এরশাদ যুদ্ধাপরাধী মন্তব্য করে তার সাজা দাবি করেছেন বিএনএফ’র সভাপতি সংসদ সদস্য এসএম আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সাজা দেওয়ার জন্য পাকিস্তান যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল সেই ট্রাইব্যুনালের একজন চেয়ারম্যান ছিলেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তাই এরশাদও একজন যুদ্ধাপরাধী। তারও সাজা হওয়া উচিত।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ আয়োজিত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষক জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুকে ছোট করে জিয়াকে বড় করলে ইতিহাস বিকৃতি হবে। আবার বঙ্গবন্ধুকে বড় স্থান দিয়ে জিয়াকে অস্বীকার করা যাবে না।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু এবং জিয়া দুজনই বড় অবদান রেখেছেন। আমি বঙ্গবন্ধুকে যেমন স্বাধীনতার ঘোষক বলতে চাই তেমনি জিয়াউর রহমানকেও স্বাধীনতার ঘোষক বলতে চাই। এ দুজনকে বাদ দিয়ে ইতিহাস হতে পারে না। বঙ্গবন্ধুকে আগে স্থান দিতে হবে, এরপর জিয়া প্রাধান্য পাবে।
ঢাকা মহানগর বিএনএফ’র সভাপতি মাহজেবিন ওয়াহেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সহ-আহ্বায়ক আঞ্জুমান সালাউদ্দিন, ঢাকা মহানগরের সদস্য সচিব এভোকেট এমএম ইসলাম, বিএনএফ নেতা মিজানুর রহমান মিজু ও প্রশান্ত বিশ্বাসসহ অনেকে।
[b]ঢাকা, ২৮ র্মাচ (টাইমনউিজবডি.কম)//এএইচ[/b]
রাজনীতি
'যুদ্ধাপরাধী এরশাদের সাজা দাবি '
এরশাদ যুদ্ধাপরাধী মন্তব্য করে তার সাজা দাবি করেছেন বিএনএফ’র সভাপতি সংসদ সদস্য এসএম আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সাজা দেওয়ার জন্য পাকিস্তান যে





