বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট মাহফুজ উল্লাহ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যরিস্টার আমিনুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ (২১ এপ্রিল) রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এই শোক প্রকাশ করেন।  

যৌথ শোকবার্তায় জামায়াত নেতৃবৃন্দ মরহুম সাংবাদি কমাহফুজ উল্লাহ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ও তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে দোআ করেন, আল্লাহ যেন মরহুমের নেক আমল সমূহ কবুল করে তাকে জান্নাত বাসী করেন এবং তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন কে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন।

মরহুম সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার বিকালেই ন্তেকাল করেন  (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

তিনি হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিতসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন। সিনিয়র এই সাংবাদিকের মৃত্যুর খবর ব্যাংককে বাবার সঙ্গে অবস্থানরত তার বড় মেয়ে ডা. মেঘলা গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। 

গত ২ এপ্রিল সকালে ধানমন্ডির গ্রীন রোডে মাহফুজউল্লাহ নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়।  এরপর ১০ এপ্রিল (বুধবার) রাত ১১টা ৫২ মিনিটে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মাহফুজ উল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককে নেয়া হয়।  অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী বড় মেয়ে ডা. মেঘলা ও জামাতা মাহফুজ উল্লাহর সঙ্গে যান।

মাহফুজ উল্লাহ ১৯৫০ সালের ১০ মার্চ নোয়াখালীতে জন্ম গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতিটি অধিকার আদায়ের আন্দোলনের একজন নেতৃস্থানীয় কর্মী ছিলেন। ছাত্রাবস্থায়ই তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ দেশের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকে কাজ করেছেন। মাঝে চীন গণপ্রজাতন্ত্রে বিশেষজ্ঞ, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপদূতাবাসে, কূটনীতিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  

সাবেক মন্ত্রী ব্যরিস্টার আমিনুল হকের ইন্তেকালে বুলবুল ও ড. মাসুদের শোক  

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং রাজশাহী-১ আসনের ৩ বারের নির্বাচিত সাবেক এমপি ও সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যরিস্টার আমিনুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ (২১ এপ্রিল) দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এই শোক প্রকাশ করেন।  

এক যৌথ শোকবার্তায় জামায়াত নেতৃবৃন্দ মরহুম ব্যরিস্টার আমিনুল হকের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে দেশ ও জাতির সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরা তকামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা মহান আল্লাহরাব্বুল আলামীনের কাছে দোআ করেন, আল্লাহ যেন মরহুমের নেক আমল সমূহ কবুল করে তাকে জান্নাত বাসী করেন এবং তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন।

মরহুম ব্যারিস্টার আমিনুল হক দীর্ঘদিন থেকে উচ্চরক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টসহ কয়েকটি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন। তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সেখান থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে ব্যারিস্টার হককে বাংলাদেশে এনে ঢাকার ইউনাইটেড হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় আজ (রোববার) সকাল সাড়ে নয় টার দিকে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণ গ্রাহীরেখে গেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের প্রচার সহকারী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সাইফ স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক শোক বার্তায় এইসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এমবি