বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ২০ দলীয় জোট প্রধান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকে ‘ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ও ‘তামাশা’ হিসাবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে জোট শরিক বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থেকে শুরু করে মামলা দেয়ার ঘটনাকে সম্পূর্ণভাবে ‘সরকারের ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও সরকারি প্রতি হিংসার রাজনীতির নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে হয়রানি ও পর্যুদস্ত করতেই এ মামলা দেয়া হয়েছে বলে সমগ্র জাতি মনে করে।

তারা বলেন, ‘রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করা হয়। সে সময় তাকে গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে এর সামনে বালু ও কাঠবোঝাই একাধিক ট্রাক রাখা হয়। বিদ্যুৎ-টেলিফোন লাইন কেটে দেয়া হয়। বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয় মোবাইল নেটওয়ার্কও। গুলশান কার্যালয়ে তখন পাখি পর্যন্ত ঢুকতে দেয়া হয়নি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পরিবেষ্টিত অবস্থায় তাহলে তিনি (খালেদা জিয়া) কীভাবে বাসে বোমা মারার হুকুম দিয়েছেন? এটি দেশবাসী সেই প্রশ্নের উত্তর চায়।’

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ‘সরকার প্রচণ্ড ভয়ের মধ্যে আছে। তাদের ভয় জনগণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নিয়ে। এ আতঙ্ক থেকে ঘটনাকে অন্যদিকে প্রবাহিত করার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলা ও প্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এ মামলা হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পর্যুদস্ত করার অপচেষ্টা মাত্র।’

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে খালেদা জিয়ার বিরোদ্ধো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের জোর দাবী জানান।

 

এমআইএস।