সংঘাত পরিহার করে সমোঝতার ভিত্তিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী ১৭ কিলোমিটারব্যাপী মানববন্ধন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পীরসাহেব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বে ‘জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট ও সহিংসতা নিরসনে অবিলম্বে উদ্যোগ গ্রহণের দাবি’ শীর্ষক মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।
গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল, সংসদ ভবন, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, মতিঝিল, সায়েদাবাদ হয়ে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সবাই সাদা পতাকা হাতে শান্তির আহবান জানান।
মানববন্ধনে প্রেস ক্লাবের সামনের অংশে অবস্থান নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য প্রদান করে সঙ্কট নিরসনে সরকারের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘আজ দেশে যে রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে তার জন্য সরকারকেই প্রধান ভূমিক পালন করতে হবে। কিন্তু এই সরকার স্বীকারই করতে চায় না দেশে রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে।’
তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি প্রশাসন দিয়ে রাজনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলা করার চেষ্টা করবেন না। তাতে সমাধান পাবেন না, আলোচনায় বসুন সংলাপ করুন।’
দমননীতি চালিয়ে কখনও স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় এমন মন্তব্য করে আয়োজক সংগঠনের ঢাকা মহানগরীর সভাপতি অধ্যাপক এ টি এম হেমায়েত উদ্দীন বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মানুষ একাধিকবার দেখেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, তাই আমরা এ বিষয়ে স্থায়ী সমাধান চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা দয়া করে সংলাপে বসুন, আমরা যেমন পেট্রোলবোমা দিয়ে মানুষ হত্যার রাজনীতি চাই না, তেমনি পাইকারিভাবে গ্রেফতারের নামে নির্যাতনও চাই না।’
ক্ষমতার দ্বন্দ্বে দুই নারীর টানাটানিতে দেশ ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোসাদ্দেক বীন আল মাদানী বলেন, ‘একজন বলছে আমরা ক্ষমতায় থাকব, আরেকজন বলছে ক্ষমতায় যাব। তাদের এই ক্ষমতার লোভে প্রায় প্রতিনিয়তই সাধারণ মানুষ পুড়ে মরছে। আমরা এর সমাধান চাই। আল্লাহর ওয়াস্তে সাধারণ মানুষকে আর মারবেন না।’
জেআই





