আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর পদ অব্যাহতি পাওয়া আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর কারণ দর্শানোর চিঠি নিয়ে লুকোচুরি। লতিফ পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নির্ধারিত তারিখের মধ্যেই কারণ দর্শানোর চিঠির জবাব দেয়া হয়েছে। আর আওয়ামী লীগ স্পষ্ট করে চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করছে না। আবার পায়নি এমন কথাও বলছে না।
দলের দায়িত্বাপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ বিষয়টি সম্পর্কে বলেছেন, যা দিয়েছে তাতে হবে না। আগামী ২৪ তারিখে ফাইনাল সিদ্ধান্ত। আর দলের উপ দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।
এদিকে লতিফ সিদ্দিকীর ঘনিষ্ঠজন ও তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের আগে অর্থাৎ গত মঙ্গলবার নোটিশের জবাব আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সৈয়দ আশরাফের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
দলের সভাপতিমণ্ডলীর পদ অব্যাহতির পর প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও কেন বহিস্কার করা হবে না সে বিষয়ে জানতে চেয়ে গত ১৪ অক্টোবর কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো ওই নোটিশ লতিফের টাঙ্গাইলের স্থায়ী ঠিকানায় পৌছায় পরদিন ১৫ অক্টোবর। নোটিশে উল্লিখিত ছিল, পত্র প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। সেই হিসেবে নোটিশের জবাব দেয়ার শেষ দিন ছিল বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
জানা গেছে, কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিক কিংবা না দিক শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে লতিফ সিদ্দিকীকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ বহিষ্কার করা হবে।
এএইচ





