বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, মাহে রমজান কুরআন নাজিলের মাস, একই সাথে কুরআন প্রতিষ্ঠারও মাস।
তাই ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের কুরআন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে মাহে রমজান পালন করতে হবে।
তিনি আজ রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব শাখার উদ্যোগে শাখা দায়িত্বশীলদের নিয়ে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
শাখা সভাপতি এম শামিম এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী সিয়াম রেজার পরিচালনায় শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেক্রেটারী জেনারেল বলেন, অন্ধকারে নিমজ্জিত মানবজাতিকে আলোর পথ দেখাতে এই মাসে কুরআন নাজিল হয়েছিল। আলোকিত করে ছিল অন্ধকারময় যুগকে। পথ হারানো মানুষ পেয়েছিল সঠিক পথের সন্ধান। নিকৃষ্ট চরিত্রের মানুষ গুলো উত্তম চরিত্রের মানুষে পরিণত হয়েছিল। ফিরে পেয়েছিল অধিকার। শিখেছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পদ্ধতি।
কুরআন বিশ্ব ইতিহাসের সৃষ্টি করেছিল স্বর্ণালী যুগের। অন্যায়ের উপর ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। কুরআনকে বুকে ধারণ করার কারণে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলীমরা। সেই কুরআন আজও আছে। কিন্তু সেই স্বর্ণ যুগ নেই। উল্টো আইয়্যামে জাহিলিয়াতের সকল উপকরণ বিদ্যামন আছে।
এর একমাত্র কারণ ব্যক্তি ও সমাজে কুরআনের প্রতিষ্ঠা নেই। এভাবে কুরআন থাকলেও তার বাস্তবায়ন না হলে হাজার বছরেও কোন লাভ হবে না। বরং কুরআন সামনে থাকা অবস্থায়ই জাতি ধ্বংসের অতল গহবরে হারিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আল কুরআন বিদ্যামন থাকা অবস্থায় মুসলীম জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকবে এর চেয়ে দূর্ভাগ্য আর কিছু হতে পারেনা। সুতরাং প্রয়োজন ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে কুরআন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করা। ছাত্রশিবির এই প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছে।
এ কাজের গতি আরও বাড়াতে হবে। শুধু ছাত্র সমাজ নয় বরং প্রতিটি শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে কুরআনের আহবান পৌছে দিতে হবে। কুরআনের আলোকে নিজেদের জীবন গঠন করতে হবে এবং অন্যদেরকেও উদ্ধোদ্ধ করতে হবে। আর এই কাজের জন্য মাহে রমজান মাস সবচেয়ে বেশি উপযোগি। তাই ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলদের মাহে রমজানকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করতে হবে।
এসএইচ





