যতদিন বিএনপির একজন নেতাকর্মী থাকবে, ততদিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের লড়াই চলবে। লড়াই করেই এ দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এ কথা বলেছেন।

সেলিমা রহমান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া আজকে গৃহবন্দী অবস্থায় আছেন। তিনি জামিন পান নাই, জামিন পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাকে জমিন দেয়া হয়নি। বেগম জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার জন্য কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি যে অবস্থায় আছেন, তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। আজকে সময় এসেছে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার, তাকে যদি আমরা ওখান (কারাগার) থেকে মুক্ত করতে পারি, তাকে যদি সুচিকিৎসা দিতে পারি, তিনি আবারো আমাদের মাঝে ফিরে নেতৃত্ব দিবেন।’

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, আসাদুজ্জামান রিপন, ’৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের ও ছাত্রদলের বর্তমান নেতৃবৃন্দ। সভা থেকে বিএনপির আটককৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানানো হয়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, নো টেস্ট নো করোনা- এই বলে বাংলাদেশের মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। মানুষ অসহায়ের মতো ঘুরে বেড়িয়েছে, হাসপাতালে কোনো চিকিৎসা নেই, হাসপাতালে কোনো বেড নেই, মানুষের দাফনের কোনো ব্যবস্থা নেই।

মানুষ অসহায়ের মতো রাস্তায় মরেছে। করোনাকে তারা (সরকার) দুর্নীতির বাণিজ্য হিসেবে নিয়েছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে শেষ করে দিয়ে আজকে বাংলাদেশের মানুষকে অসহায় করে দিয়েছে। তাই আজকে সময় এসেছে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এএস