লতিফ সিদ্দিকীকে শুধু মন্ত্রীসভা ও দল থেকে অপসারণ নয় তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় দেশের জনগণ। এমনটিই জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রীসভা ও দল থেকে বহিস্কার করলেই দেশের মানুষের ক্ষোভ যাবে না।

তিনি বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে যে অন্যায় করেছে দেশের আইন অনুযায়ি তার শাস্তি চায় দেশের জনগণ।’

তিনি বলেন, আমরা সংঘাত চাই না শান্তি চাই তাই সরকারকে সংলাপের আহ্বান করছি। কিন্তু সরকার যদি একে দুর্বলতা মনে করে তাহলে তারা ভুল করবে। সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনা না হলে আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও হুশিয়ার করেন।

যশোর পুলিশ সুপারকে দলীয় কর্মী হিসেবে আখ্যায়িত করে দলের এ মূখপাত্র বলেন, তার স্ত্রী বর্তমান সংসদের সরকার দলীয় এমপি। তাই তিনি সরকারের দলের কর্মী হিসেবে ব্যবহার করছে।

তিনি নোয়াখালীতে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের বলতেন ‘মিছিলের শব্দ শুনা যায় কিন্তু গুলির শব্দ শুনা যায় না কেন।’

যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে তিনি তিনি বলেন, সরকারের একেক মন্ত্রী একেকটি ফরমান জারি করেন। সমাবেশের বিষয়ে হুকুম জারি করার তিনি কে। তাদের একটাই লক্ষ গণতন্ত্র হত্যা করে একদলীয় সরকার ব্যবস্থা চালু করা।

গতকালের বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির ৮০ জনকে নেতাকর্মীকে আহত ও ৬০ জনকে আটক করা হয় দাবী করে তিনি আটককৃতদের মুক্তির দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল প্রমূখ।

এমএইচ/এসএইচ