টিএসসির সামনে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ এবং সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক বরকত হোসেন হাওলাদার।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হাতাহাতির কারণ জানতে চাইলে ওমর শরীফ বলেন, হাতাহাতির ঘটনা ঘটেনি। বরকত এক সময় আমার সাথেই রাজনীতি করত। কিন্তু সম্প্রতি ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি শেখ ফয়সালের গায়ে হাত তোলে। বরকত যেহেতু আমার রাজনীতি করত এবং আমিই ওকে নেতা বানিয়েছি, তাই ক্যাম্পাসে ও কিছু করলে সেটার দায় আমার ওপরই চাপে। তাই ওকে ডেকে ওর অপকর্মের কারণ জানতে চেয়েছিলাম।

সাম্প্রতিক সময়ে বরকত বিভিন্ন ‘ধান্দাবাজি’তে জড়িয়ে পড়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ওমর শরীফ।

এ ব্যাপারে বরকত হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘আমি প্রতিদিনকার মত টিএসসির সামনে চা খেতে গিয়েছিলাম। আমাকে দেখে ওমর শরীফ তার অনুসারীদের আমাকে ধরার নির্দেশ দেন। তার কর্মীরা কেউ এগিয়ে না এলে ওমর শরীফ নিজেই আমার শার্টের কলার ধরে জোর করে টিএসসির গেট থেকে ভেতরে নিয়ে যেতে চাইছিলেন। এ সময় আমার গায়ের শার্টটি ছিড়ে যায়।

আমি না যেতে চাইলে তিনি আমাকে ২/৩টি ঘুষি মারেন। পরে সেখানে অন্যান্য নেতা-কর্মীরা আমাকে তার হাত থেকে ছাড়িয়ে নেন।’

এক সময় ওমর শরীফের অনুসারী থাকলেও বর্তমানে তিনি ওমর শরীফের রাজনীতি করেন না বলেও জানান। তবে ওমর শরীফই তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগে পদ দিয়েছেন বলে স্বীকার করেন বরকত।

‘ধান্দাবাজি’ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সাধারণ একজন সম্পাদক। আমার পক্ষে কি ধান্দাবাজি করা সম্ভব? আমি অনেক দিন তিনবেলা ঠিকমত খেতেও পাই না। ধান্দাবাজি করলে তো আমার পকেটে অনেক টাকা থাকতো।’

তিনি নির্মম রাজনীতির বলি বলেও এ সময় মন্তব্য করেন বরকত। ওই ঘটনার পর ওমর শরীফ তাকে পুলিশ দিয়ে ধরানোর চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে ফয়সালের সাথে তার ‘ধাক্কাধাক্কি’হয়েছে বলে স্বীকার করেন বরকত।

কেএইচ