বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন,রাজনৈতিক রেষারেষি ও প্রতিহিংসার কারণেই সরকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার ভাঙ্গানোর পাঁয়তারা করছে।
বুধবার গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের মাজার যদি ভেঙে ফেলা হয় তবে সাধারণ জনগণও মনে আঘাত পাবে।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, দেশে নির্বাচিত সরকার নেই। এ সরকার পুলিশবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সরকার। তারা সাধারণ মানুষকে নিয়ে ভাবে না।
আওয়ামী লীগ পুলিশকে লাইসেন্স দিয়েছে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। গুম, হত্যা ও ধর্ষণসহ নারী ও শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে। সরকারের কোথাও কোন নিয়ন্ত্রণ নেই।
এরপরও ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-অত্যাচার করছে। এম কে আনোয়ারের মতো ৮৬ বছর বয়সী সিনিয়র নেতাকে পর্যন্ত মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত দুবার জেলে গিয়েছি, যে কোন মুহূর্তে আবার গ্রেপ্তার হতে পারি এজন্য প্রস্তুত আছি। এ নিষ্ঠুর সরকার বিএনপি নেতাদের গ্রেপ্তার করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মতোই পৌরসভা নির্বাচন করতে চায় সরকার।
পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ জানান, নেত্রী দেশে ফিরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
বেগম খালেদা জিয়ার সংলাপের প্রস্তাবে যদি সাড়া না দেয় আওয়ামী লীগ, তবে আন্দোলনের মধ্যদিয়েই এ সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে মন্তব্য করেন হাফিজ।
তিনি বলেন, বিএনপি জনতার শক্তিতে বিশ্বাসী। সকলের অংশগ্রহণে যেমন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল তেমনি এ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করবে বিএনপি।
এসএইচ





